আপডেটঃ
ঈদগাঁহর জনসভায় রামু থেকে এমপি কমলের নেতৃত্বে যোগ দেবে লক্ষাধিক জনতাসৈকতে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় উন্নয়ন মেলা কনসার্টকর্ণফুলীতে মা সমাবেশশেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারানজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমাননাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনসরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনজাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রীভারতকে মাত্র ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশেরবেনাপোল সীমান্তে অস্ত্র-গুলি মাদকদ্রব্য সহ আটক ১আগামী মনোনয়নে নেত্রীর গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তালিকায় যারাকক্সবাজারে হারিয়ে যাওয়া ব্যাগ ফিরিয়ে দিলেন টমটম চালককক্সবাজারে ইপসা’র নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত

গরমে খাবেন না যেসব খাবার

hot-food-amar.jpg

শুধু মৌসুমের কারণে নয় খাদ্যাভ্যাসেও গরম বেশি লাগতে পারে। খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছু খাবার গ্রীষ্মকালে এড়িয়ে চলা ভালো। তাহলে হয়ত অসহ্যকর গরম কিছুটা হলেও সহনীয় থাকতে পারে।১.আমিষ বাদ: মাংস, ডিম, চিংড়ি, স্কুইড, কাঁকড়া ইত্যাদি শরীরে তাপ উৎপন্ন করে। তাই গরমের দিনগুলোতে এগুলো না খাওয়াই ভালো। পাশাপাশি ডায়রিয়ার বা পাকস্থলিতে অস্বস্তির কারণও হতে পারে খাবারগুলো।

২.মসলাদার খাবার বাদ: ঝাল, মসলাদার, চটপটে খাবার কার না ভালো লাগে। তবে তীব্র গরমে নিজের প্রয়োজনেই সংযম পালন করতে হবে। মরিচ, আদা, গোলমরিচ, জিরা, দারুচিনি ইত্যাদি বিপাকক্রিয়ার গতি বাড়ায়। ফলে স্বাভাবিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

৩.ভাজাপোড়া: নাস্তায় পুরি, শিঙাড়া, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি ভাজাপোড়া খাবারের জন্য মনটা আনচান করতে থাকে। তবে এখানেও চাই সংযম। কারণ শরীরের তাপামাত্রা বাড়াতে এবং গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টিতে খাবারগুলোর খ্যাতি রয়েছে।

৪.তৈলাক্ত খাবার ও জাঙ্ক ফুড: পকেটে পয়সা থাকলে পুরি, শিঙাড়ায় আর মন ভরে না। চাই বার্গার, পিৎজা ইত্যাদি বিভিন্ন জাঙ্ক ফুড। এতে হজমের সমস্যা দেখা দেয়, বাড়ায় খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও।

৫.চা-কফি: কাজের প্রয়োজনে কিংবা আড্ডায় বসলে চা-কফির হিসেব থাকে না অনেকেরই। দুটোই শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়, তাই গরমে সুস্থ থাকতে চা-কফি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

৬.শুকনা ফল: প্রচুর পুষ্টিগুণের পাশাপাশি প্রচুর তাপও থাকে। তাই এগুলোও যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

৭.চিজ দেওয়া সস: সকল প্রকার চিজ বা পনির সমৃদ্ধ সস থেকে দূরে থাকতে হবে গরমের দিনগুলোতে। কারণ এগুলোতে থাকে প্রায় ৩৬০ ক্যালরি। আর খাওয়ার পর শরীর ছেড়ে দেওয়ার মতো অনুভূতি হয়। সসের পরিবর্তে সতেজ ফল ও সবজি কিংবা সালাদ বেছে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে টমেটো আদর্শ বিকল্প।

৮.অ্যালকোহল: ক্যাফেইনের চাইতেও বেশি মাত্রায় শরীর শুষ্ক করে দেয়। এর চেয়ে মজাদার ঠাণ্ডা পানীয় বা শরবত পান করে উৎসব উদযাপন করুন।

৯.আম: গ্রীষ্মকাল অনেকগুলো প্রিয় ফল নিয়ে আসে। যার মধ্যে সম্ভবত আম সবচাইতে কাঙ্ক্ষিত। তবে খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে নজর দিতে হবে। তিন বেলায় কিংবা কয়েক ঘণ্টা পর পর একটি করে আম খেলে শরীরের জন্য ভালো। তবে কয়েকটি আম একবারে খেয়ে ফেললে পেট খারাপ হতে পারে। অতিরিক্ত আম খেলে শরীরের গরমের কারণে ব্রণ হতে পারে, বিশেষত শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের।

১০.আইসক্রিম: গরমে আইসক্রিম খাবেন না শুনে আক্কেল গুড়ুম! তবে জেনে রাখুন ঠাণ্ডা আইসক্রিম সাময়িক প্রশান্তি দেয় ঠিকই। তবে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। এছাড়াও বেশিরভাগ আইসক্রিমেই থাকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি। আর এর স্বর্গীয় স্বাদের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে ‘স্যাচারেইটেড ফ্যাট’ থেকে। তাই আইসক্রিম খাওয়াকমাতে হবে।

Top