আপডেটঃ
কক্সবাজার আন্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বদলীল আদেশ অমান্য করে বহাল আছে সত্যব্রত শর্মাচকরিয়ায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে দর্শনার্থী বাড়তি বিনোদনে যোগ হয়েছে আকর্ষনীয় তিন জোড়া আফ্রিকান জেব্রাজনগণ কিন্তু খুব হিসেবি, ঠিকই মাথায় রাখবে: প্রধানমন্ত্রীকান্না প্রসঙ্গে সমালোচকদের ধুয়ে দিলেন নেইমার!৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে বেলজিয়ামচট্টগ্রামে গ্রাহকের শত কোটি টাকা নিয়ে উধাও “ডিজিটাল কিং মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি”চকরিয়ায় মহাসড়ক থেকে যুবকের লাশ উদ্ধারচকরিয়ায় গাড়ীর চাপায় মহেশখালীর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাশুড়ি নিহত২৫ ঘন্টা পর ২ শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারকক্সবাজার পৌরসভার নৌকার মাঝি মুজিব চেয়ারম্যানগুরুতর অসুস্থ পর্নো অভিনেত্রী সানি লিওনব্রাজিল জিতল ২-০ গোলে‘নির্বাচনে জয়ী হতে গিয়ে যেন দলের বদনাম না হয়’সৌদি নারীরা রোববার থেকে গাড়ি চালাবেনবাস ডোবায় পড়ে নিহত ৩, আহত ৫জনকে চমেকে ভর্তি

গরমে খাবেন না যেসব খাবার

hot-food-amar.jpg

শুধু মৌসুমের কারণে নয় খাদ্যাভ্যাসেও গরম বেশি লাগতে পারে। খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছু খাবার গ্রীষ্মকালে এড়িয়ে চলা ভালো। তাহলে হয়ত অসহ্যকর গরম কিছুটা হলেও সহনীয় থাকতে পারে।১.আমিষ বাদ: মাংস, ডিম, চিংড়ি, স্কুইড, কাঁকড়া ইত্যাদি শরীরে তাপ উৎপন্ন করে। তাই গরমের দিনগুলোতে এগুলো না খাওয়াই ভালো। পাশাপাশি ডায়রিয়ার বা পাকস্থলিতে অস্বস্তির কারণও হতে পারে খাবারগুলো।

২.মসলাদার খাবার বাদ: ঝাল, মসলাদার, চটপটে খাবার কার না ভালো লাগে। তবে তীব্র গরমে নিজের প্রয়োজনেই সংযম পালন করতে হবে। মরিচ, আদা, গোলমরিচ, জিরা, দারুচিনি ইত্যাদি বিপাকক্রিয়ার গতি বাড়ায়। ফলে স্বাভাবিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

৩.ভাজাপোড়া: নাস্তায় পুরি, শিঙাড়া, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি ভাজাপোড়া খাবারের জন্য মনটা আনচান করতে থাকে। তবে এখানেও চাই সংযম। কারণ শরীরের তাপামাত্রা বাড়াতে এবং গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টিতে খাবারগুলোর খ্যাতি রয়েছে।

৪.তৈলাক্ত খাবার ও জাঙ্ক ফুড: পকেটে পয়সা থাকলে পুরি, শিঙাড়ায় আর মন ভরে না। চাই বার্গার, পিৎজা ইত্যাদি বিভিন্ন জাঙ্ক ফুড। এতে হজমের সমস্যা দেখা দেয়, বাড়ায় খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও।

৫.চা-কফি: কাজের প্রয়োজনে কিংবা আড্ডায় বসলে চা-কফির হিসেব থাকে না অনেকেরই। দুটোই শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়, তাই গরমে সুস্থ থাকতে চা-কফি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

৬.শুকনা ফল: প্রচুর পুষ্টিগুণের পাশাপাশি প্রচুর তাপও থাকে। তাই এগুলোও যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

৭.চিজ দেওয়া সস: সকল প্রকার চিজ বা পনির সমৃদ্ধ সস থেকে দূরে থাকতে হবে গরমের দিনগুলোতে। কারণ এগুলোতে থাকে প্রায় ৩৬০ ক্যালরি। আর খাওয়ার পর শরীর ছেড়ে দেওয়ার মতো অনুভূতি হয়। সসের পরিবর্তে সতেজ ফল ও সবজি কিংবা সালাদ বেছে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে টমেটো আদর্শ বিকল্প।

৮.অ্যালকোহল: ক্যাফেইনের চাইতেও বেশি মাত্রায় শরীর শুষ্ক করে দেয়। এর চেয়ে মজাদার ঠাণ্ডা পানীয় বা শরবত পান করে উৎসব উদযাপন করুন।

৯.আম: গ্রীষ্মকাল অনেকগুলো প্রিয় ফল নিয়ে আসে। যার মধ্যে সম্ভবত আম সবচাইতে কাঙ্ক্ষিত। তবে খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে নজর দিতে হবে। তিন বেলায় কিংবা কয়েক ঘণ্টা পর পর একটি করে আম খেলে শরীরের জন্য ভালো। তবে কয়েকটি আম একবারে খেয়ে ফেললে পেট খারাপ হতে পারে। অতিরিক্ত আম খেলে শরীরের গরমের কারণে ব্রণ হতে পারে, বিশেষত শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের।

১০.আইসক্রিম: গরমে আইসক্রিম খাবেন না শুনে আক্কেল গুড়ুম! তবে জেনে রাখুন ঠাণ্ডা আইসক্রিম সাময়িক প্রশান্তি দেয় ঠিকই। তবে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। এছাড়াও বেশিরভাগ আইসক্রিমেই থাকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি। আর এর স্বর্গীয় স্বাদের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে ‘স্যাচারেইটেড ফ্যাট’ থেকে। তাই আইসক্রিম খাওয়াকমাতে হবে।

Top