আপডেটঃ
হামিদ আযাদের আপেল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিতবান্দরবান হবে উন্নয়নের রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রীমাহবুব তালুকদারের বক্তব্য ব্যক্তিগত ও অসত্য: সিইসিপ্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘মেরুদণ্ডহীন’: চরমোনাই পীরপ্রেসক্লাবের ভোটগ্রহণ শেষ: ফলাফলের অপেক্ষাগুগলের পরিষেবা ব্যবহারে বিভ্রাটব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ৬ মাসের জামিনসাহু সেজদার বিধান দেয়ার কারণ কী?ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর (রোববার) সাধারণ ছুটিনির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন : সিইসিবিএনপি প্রার্থী কাজলের প্রচার কর্মী আজিজুল হককে অতর্কিতভাবে হামলানির্বাচনী ঘটনায় ভূট্টো ও মাবুদ চেয়ারম্যান সহ ৮০ জনকে আসামী করে দু’টি মামলাপার্থে জিতে ভারতের সাথে সিরিজ সমতায় অস্ট্রেলিয়ালাশ হলে নিরাপত্তা নিয়ে কী করব : কনকচাঁপাজামায়াতের ২৫ নেতার প্রার্থিতার রিট ৩ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

খালেদার মুক্তির দাবিতে ভবিষ্যতে ২০ দলের ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি

BNP-20Dol.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০-দলীয় জোট। একই সঙ্গে বিএনপির বর্তমান কর্মসূচিতে জোটের দলগুলো একাত্মতা পোষণ করেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে রোববার বিকেল ২০-দলীয় জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার প্রতিবাদে শুধু বিএনপি নয়, ২০-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি দেয়া হবে। এছাড়া বিএনপির দেয়া কর্মসূচিগুলোতে শুধু একাত্মতা ঘোষণাই নয়, আগামীতে সক্রিয়ভাবে ২০ দল অংশগ্রহণ করবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে- সম্পূর্ণ মিথ্যা, সাজানো মামলায় জাল একটি নথির উপর ভিত্তি করে জোটনেত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। বৈঠকে এর তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর রায়কে কেন্দ্র করে সারা দেশে অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০-দলীয় জোটের নেতাকর্মীও রয়েছেন। বৈঠকে তাদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নেত্রীর রায়ের পর যারা আহত হয়েছেন, তাদের সহানুভূতি জানানো হয়েছে।

এছাড়া ২০-দলীয় জোটের ঐক্য অটুট এবং জোটকে আরও সম্প্রসারিত করার জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট নেতারা কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব।

বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য রেখেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তার আহ্বান যেটা এসেছে- জনগণের জোট তৈরি করার জন্য একটা প্লাটফর্ম তৈরি করতে হবে। খালেদা জিয়া শেষ সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যের কথা বলেছেন। জোটের নেতারা তার ওই বক্তব্য সমর্থন করেছেন। জোটের সবক’টি দলকে কাজ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, বৈঠকে ২০-দলীয় জোট এই স্বৈরাচারী সরকারের গণতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছে। আসন্ন নির্বাচন যাতে সব দলের অংশগ্রহণে হতে পারে, এজন্য সহায়ক সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানানো হয়েছে।’

জোটনেত্রী কারাগারে, সে ক্ষেত্রে জোটের প্রধান কে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়া কারাগারে থাকুন বা যেখানেই থাকুন তিনিই জোটের নেত্রী, তিনিই ২০ দলের নেত্রী। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই। সমন্বয়ক হিসেবে আমি কাজ করেছিলাম, এখনো করছি।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য আবদুল হালিম, জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপা সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান, ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, পিপলস লীগের চেয়ারম্যান গরীবে নেওয়াজ, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ইসলামী ঐক্যেজোটের (একাংশ) আব্দুর রকিব, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন, ডেমোক্রেটিক লীগের সাইফুদ্দিন মুনি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এইচএম কারুজ্জামান, এনডিপির খন্দকার গোলাম মূর্তজা, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ।

Top