আপডেটঃ
মালয়েশীয়ায় লিফটের কেবল ছিড়ে নিহত শার্শা-ঝিকরগাছর ৩ যুবকের দাফন সম্পন্নসৌদি বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ইয়েমেনের মিসাইল হামলাকোথায় মুখোমুখি হচ্ছেন কিম-ট্রাম্প?কলকাতার ‘চালবাজ’ সেন্সরে জমা পড়েছেজনবল নেবে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডপাবলিক রিলেশনস ম্যানেজার নিয়োগ দেবে হোটেল প্যান প্যাসিফিকসম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ যৌক্তিক: আইনমন্ত্রীকমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন শেখ হাসিনাপুলিশের জেরায় যা জানালেন শামিঅনুমতি নেওয়ার পরও খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পেলেন না বিএনপি নেতারাচট্টগ্রাম চাইল্ড কেয়ার হাসপাতালে জীবিত শিশু বদল করে মৃত শিশু:পরে মামলায় ফেরতচট্টগ্রাম পাহাড়ে অস্থিরতা প্রচুর অস্ত্রের মজুদ, একে-৪৭সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারকক্সবাজারে প্রশ্নফাঁস চক্রের এক সদস্য আটকনাইক্ষ্যংছড়ি আওয়ামীলীগের অভিভাবক হচ্ছেন শফি উল্লাহ ও ইমরানচকরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের মাইক্রোবাস চুরি: চালক আটক

কাশ্মীরে সেনা ক্যাম্পে অভিযান অব্যাহত, নিহত বেড়ে ৬

india.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের সাঞ্জুবান সেনাক্যাম্পে সেনা অভিযান অব্যাহত আছে। রোববার পর্যন্ত ৬ জন নিহত হয়েছে, যার ৫ জনই ভারতীয় সেনা। এ ছাড়া অন্তত ৯ জন আহত হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে এনডিটিভি বলছে, অভিযানে অন্তত চার হামলাকারী নিহত হয়েছে। আরো অন্তত দুই থেকে তিনজন হামলাকারী জীবিত আছে। হামলাকারীদের নির্মুল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে বলেও জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

এর আগে শনিবার ভোরে কয়েকজন হামলাকারী ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই সেনাক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। এ সময় তাদের পরনে সামরিক বাহিনীর পোশাক ছিল। সেনা ক্যাম্পের পেছনের পথ দিয়ে প্রবেশ করে হামলাকারীরা। যেখানে বর্তমানে সেনা কর্মকর্তাদের আবাসিক এলাকা রয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম দাবি করছে, জয়েশ-ই মুহাম্মদ এ হামলা করেছে। যদিও সংগঠনটি এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে সেনাবাহিনী।

এদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি সেনাক্যাম্পে হামলার ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তিনি হাসপাতালে আহতদের দেখতেও গেছেন।
হামলার পর সেনাক্যাম্পের আশপাশের ৫০০ মিটারের মধ্যে সব স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৮ জুন একই ক্যাম্পে অস্ত্রধারীদের হামলায় ১২ ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছিল। তবে গত বছর উরির সেনাক্যাম্পে হামলার পর এটিই ভয়াবহ হামলা। ওই হামলায় ১৯ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়।

একদিন আগেই স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা আফজাল গুরুর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন কাশ্মীরবাসী। ২০০১ সালে ভারতের পার্লামেন্ট ভবনে হামলার ঘটনায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাকে দেশটি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে।

কাশ্মীর মিডিয়া সোর্স কেএমএসের কয়েক দিন আগের গণনা অনুযায়ী হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বোরহানুদ্দিন ওয়ানি হত্যার পর থেকে এখন পর্যন্ত অধিকৃত কাশ্মীর উপত্যকায় ভারতীয় সেনাবাহিনী ৫১৫ জন কাশ্মীরিকে হত্যা করেছে।

Top