আপডেটঃ
শেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারানজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমাননাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনসরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনজাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রীভারতকে মাত্র ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশেরবেনাপোল সীমান্তে অস্ত্র-গুলি মাদকদ্রব্য সহ আটক ১আগামী মনোনয়নে নেত্রীর গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তালিকায় যারাকক্সবাজারে হারিয়ে যাওয়া ব্যাগ ফিরিয়ে দিলেন টমটম চালককক্সবাজারে ইপসা’র নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিতমিডিয়ার হাত বেঁধে দিয়েছে সরকার : নজরুলদলে নেই মুশফিক-মোস্তাফিজ, অভিষেক দু’জনেরগোলদিঘীর সৌন্দর্য্য বর্ধন, মাস্টার প্ল্যান ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা- ১৯৯৬ নিয়ে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে কউকের মতবিনিময় সভা সম্পন্ন

কাশ্মীরে সেনা ক্যাম্পে অভিযান অব্যাহত, নিহত বেড়ে ৬

india.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের সাঞ্জুবান সেনাক্যাম্পে সেনা অভিযান অব্যাহত আছে। রোববার পর্যন্ত ৬ জন নিহত হয়েছে, যার ৫ জনই ভারতীয় সেনা। এ ছাড়া অন্তত ৯ জন আহত হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে এনডিটিভি বলছে, অভিযানে অন্তত চার হামলাকারী নিহত হয়েছে। আরো অন্তত দুই থেকে তিনজন হামলাকারী জীবিত আছে। হামলাকারীদের নির্মুল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে বলেও জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

এর আগে শনিবার ভোরে কয়েকজন হামলাকারী ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই সেনাক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। এ সময় তাদের পরনে সামরিক বাহিনীর পোশাক ছিল। সেনা ক্যাম্পের পেছনের পথ দিয়ে প্রবেশ করে হামলাকারীরা। যেখানে বর্তমানে সেনা কর্মকর্তাদের আবাসিক এলাকা রয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম দাবি করছে, জয়েশ-ই মুহাম্মদ এ হামলা করেছে। যদিও সংগঠনটি এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে সেনাবাহিনী।

এদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি সেনাক্যাম্পে হামলার ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তিনি হাসপাতালে আহতদের দেখতেও গেছেন।
হামলার পর সেনাক্যাম্পের আশপাশের ৫০০ মিটারের মধ্যে সব স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৮ জুন একই ক্যাম্পে অস্ত্রধারীদের হামলায় ১২ ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছিল। তবে গত বছর উরির সেনাক্যাম্পে হামলার পর এটিই ভয়াবহ হামলা। ওই হামলায় ১৯ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়।

একদিন আগেই স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা আফজাল গুরুর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন কাশ্মীরবাসী। ২০০১ সালে ভারতের পার্লামেন্ট ভবনে হামলার ঘটনায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাকে দেশটি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে।

কাশ্মীর মিডিয়া সোর্স কেএমএসের কয়েক দিন আগের গণনা অনুযায়ী হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বোরহানুদ্দিন ওয়ানি হত্যার পর থেকে এখন পর্যন্ত অধিকৃত কাশ্মীর উপত্যকায় ভারতীয় সেনাবাহিনী ৫১৫ জন কাশ্মীরিকে হত্যা করেছে।

Top