আপডেটঃ
নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে পাহাড় ধ্বসে ৫ জনের মৃত্যু : ১ জন কে জীবিত উদ্ধারঅভিভাবকহীন মারুফা কর্ণফুলী থানায়রোহিঙ্গা শিশুদের সাথে সময় কাটালেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কাতাসফিয়া হত্যায় ৩য় পক্ষের ইন্দন খতিয়ে দেখার দাবি বাবারকক্সবাজারে প্রিয়াঙ্কা, বিকেলে যাবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পেচৌফলদন্ডীর সন্তান হিসাবে ইয়াবা নির্মুলে দু একটা কথা আমাকে বলতে হবেব্যবসায়ী সেলিমের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধননকল ও ভেজাল প্রতিরোধে ঈদগাও বাজারে অভিযানরোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে বাংলাদেশে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ানামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন”প্রধানমন্ত্রীর ‘নির্বাচিত ১০০ ভাষণ’ সব সরকারি দফতরে রাখার নির্দেশএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ হচ্ছেঈদগড়ে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ১ ব্যবসায়ী আটকরামু ক্রসিং হাইওয়ে থানা পুলিশের পৃথক অভিযান ২৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক চারমৃত্যুর আগে স্টিব জবস হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে জীবন সম্পর্কে যা বললেন

৩১২ রানের লিডে লঙ্কানরা

Tiger-3.jpg

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ শ্রীলঙ্কা ১১২ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস সতর্কতার সঙ্গে শুরু করে দিন শেষে লঙ্কানদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১২ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে লঙ্কানরা সংগ্রহ করেছে আট উইকেট হারিয়ে ২০০ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেছেন রুশান সিলভা।

৫৮ রান করে অপরাজিত আছেন রুশান সিলভা। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম ও মিরাজ। দীর্ঘদিন পর টেস্ট খেলতে নামা আব্দুর রাজ্জাক নিয়েছেন মাত্র একটি উইকেট। যদিও আগের ইনিংসে নিয়েছিলেন চার উইকেট।

এর আগে লঙ্কানদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১১০ রানেই থেমেছে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। চাপ নিয়েই দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নামে আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান লিটন দাস ও মিরাজ। তবে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি লিটন।

লাকমলের ছেড়ে দেয়ার মতো বল জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে গিয়ে স্টাম্পে টেনে আনেন উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান। ফলে ২৫ রান করেই সাজঘরে ফিরে যান এই তারকা।

লিটনের বিদায়ের পর মিরাজকে ভালোভাবেই সঙ্গ দিচ্ছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। দুইজনে মিলে গড়েন ৩৪ রানের জুটি। তবে এরপরই ঘটে ছন্দপতন। ধনঞ্জয়ার অফ স্টাম্পের বাইরের স্পিন করা বল ব্যাট-প্যাডের ফাঁক দিয়ে গিয়ে লাগে স্টাম্পে। দুই বল ব্যবধানে ফিরে যান সাব্বির। এই স্পিনারের বল স্ট্রেট ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন। তবে বল স্পিন করায় যেভাবে খেলতে চেয়েছিলেন পারেননি। মিডউইকেটে নিচু ক্যাচ চলে যায় দিনেশ চান্দিমালর হাতে। সাব্বিরের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের লিডের স্বপ্ন।

নিজের পরের ওভারেই রাজ্জাককেও ফিরিয়ে দেন ধনঞ্জয়া। ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। পরের ওভারেই রান আউট হন তাইজুল। আর পেরেরার বলে মোস্তাফিজ এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফিরলে ১১০ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। মিরাজ ৩৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে শ্রীলঙ্কাকে ২২২ রানে অল আউট করে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল ইনিংসের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই রিটার্ন ক্যাচ দেন লাকমালের হাতে। তামিমের বিদায়ের পর দ্রুত বিদায় নেন চট্টগ্রাম টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া মুমিনুল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই খামখেয়ালিপনা করতে গিয়েই বলতে গেলে রানআউট হন টেস্টে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক।

কুশল পেরেরাকে মিড-অফে খেলেই এক রান নিতে গেলেন ইমরুল কায়েস। দৌড়ে আসলেন মুমিনুলও; কিন্তু ক্রিজে পৌঁছে গেছেন মনে করে কিংবা কাছাকাছি হওয়ার পর রানআউট থেকে বেঁচে গেছেন মনে করে তিনি কিছুটা স্লো হয়ে যান। এরই মধ্যে বল চলে আসল। মুমিনুল ব্যাট ক্রিজে ছোঁয়ানোর আগেই উইকেট ভেঙে দিলেন উইকেটরক্ষক ডিকভেলা। ৪ রানে পড়লো দ্বিতীয় উইকেট।

তামিম-মুমিনুলের পরপর বিদায় মানে বাংলাদেশের দারুণ ব্যাটিং বিপর্যয়। এই বিপর্যয় সামাল দিতে খুব সতর্কভাবে এগিয়ে চলা প্রয়োজন ছিল ইমরুল কায়েস আর মুশফিকুর রহিমকে। এ দু’জনকে সে চেষ্টা করেননি তা নয়। বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম; কিন্তু অতি সতর্কতা এবং বোকামির দণ্ড দিতে হলো তাকে। সুরঙ্গা লাকমালের বল ছেড়ে দিতে গিয়ে বোল্ড হয়ে গেলেন মুশফিক।

৯ম ওভারের শেষ বলটি অফ স্ট্যাম্পের অনক বাইরে মনে করে ছেড়ে দেন মুশফিক। যদিও তিনি দাঁড়িয়েছিলেন লেগ স্ট্যাম্পের ওপর। কিন্তু বল হালকা ইনসুইং করে ভেতরে ঢুকে যায় এবং উড়িয়ে দিয়ে যায় তার উইকেট। ১২ রানে পড়লো ৩য় উইকেট। মুশফিক বিদায় নিলেন মাত্র ১ রান করে।

মুশফিকের বিদায়ের পর ধরে খেলার চেষ্টা করেন ইমরুল কায়েস এবং লিটন কুমার দাস। এ দু’জনের ব্যাটে ৩৩ রানের জুটি গড়ে ওঠে। কিন্তু লঙ্কান স্পিনারদের চাপের মুখে টিকে থাকাই যেন কঠিন হয়ে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য। সে কারণে, টিকতে পারলেন না ইমরুল কায়েসও। তিনিও আউট হয়ে গেলেন ঘূর্ণি তোপে পড়ে।

দিলরুয়ান পেরেরার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান ইমরুল। যদিও রিভিউ নিয়েছিলেন তিনি; কিন্তু লাভ হলো না। উইকেট হারান তিনি। এ সময় তার ব্যক্তিগত রান ছিল ১৯। ৫৫ বলে খেলা ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ বাউন্ডারিতে। ইমরুল আউট হওয়ার পর আর দুই ওভার খেলা হলো। এরপরই শেষ হয় প্রথম দিনের খেলা।

Top