আপডেটঃ
সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে – নোমান হোসেনজনবল সংকট ফুলছড়ি রেন্জ বেপরোয়া বনদস্যুরাখুটাখালীর পীর হাফেজ মাওলানা আবদুল হাই হুজুর আর নেইরামুর অবকাশ কমিউনিটি সেন্টারে ইউএনও’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের  অভিযান ॥ মাদক ও জুয়ার সামগ্রীসহ আটক ৪মোমেন হওয়ার জন্য পরিপূর্ণ ইসলামে প্রবেশ করুনডুলাহাজারা ইসলাম প্রচার ইসলামী তরুণ সংঘের নতুন কমিটি গঠিতনাইক্ষ্যংছড়িতে ৪ জন অপহরনঃ মুক্তিপন দাবীমহেশখালীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যানিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের ছয় দফা পূরণ করতে হবেনাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়িতে চারজন কৃষক অপহরনচুনতির বিভিন্ন স্কুলে ৯৭ ব্যাচ এর উদ্যোগে দরিদ্র শিশুদের মাঝে পোশাক বিতরণঃকর্ণফুলীতে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রেফতার,ছাড়িয়ে নিতে জোর তদবিরঃশ্রীলঙ্কাকে গুঁড়িয়ে দিল টাইগাররাআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলেরবিজয়ের পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তানে শিশু জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে জনগণ, দাঙ্গা অব্যাহত

pak.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ পাকিস্তানে ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ থেকে সৃষ্ট দাঙ্গায় সরকারি অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছে প্রতিবাদী জনগণ। ছয় বছর বয়সী নিখোঁজ জয়নাবের ধর্ষিত লাশ উদ্ধারের পর টানা দুইদিন ধরে বিক্ষোভ চলছে দেশটির কাসুর শহরে।

এক সপ্তাহ নিখোঁজ থাকার পর গত মঙ্গলবার আবর্জনার স্তূপ থেকে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। ধর্ষণ করার পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় তাকে। জয়নাবের বাবা এ ঘটনায় আর্তনাদ করে জানান, মনে হচ্ছে আমার সব শেষ হয়ে গেছে।

পুলিশ জানায়, গত দুই বছরে একই ধরণের ১২টা ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে পাঁচটি ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কয়েক শত পুলিশ অফিসারের প্রচেষ্টায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়াও আরও ৯০ জন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

জয়নাবের দেহ ক্ষতবিক্ষত ছিল বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে। তার চেহারা ও দেহের অন্যান্য অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার ঘাড়ের এক একটি হাড়েও ফাটল দেখা গেছে।

জয়নাবের বাবা আমিন আনসারী বিবিসিকে জানান কন্যাকে হারিয়ে তিনি বাকহারা। বিক্ষোভের পক্ষে তিনি নেই তবে পুলিশের প্রতি মানুষের ক্রোধ জমে আছে এটি তার বহিঃপ্রকাশ বলে জানান।

পুলিশের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ এনে আনসারি বলেন, পুলিশ যদি তাদের দায়িত্ব যথাযতভাবে পালন করত তাহলে জয়নাবকে সহজে উদ্ধার করা যেত কারণ তাদের হাতে সিসিটিভি ফুটেজ ছিল। তবে স্থানীয় রাজনীতিবিদরা জয়নাবের পরিবারের সাথে দেখা করেছেন এবং হত্যাকারীকে গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবারেও জনগণের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। তারা সরকারি অফিস, গাড়ী ও স্থানীয় রাজনীতিবিদের অফিসে পাথর ছুঁড়ে মারে।

এক স্থানীয় রাজনীতিবিদ এএফপিকে জানান, এক হাজারের চেয়েও বেশি মানুষ রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে। তারা সরকারি হাসপাতাল, পুলিশ ও ডেপুটি কমিশনারের অফিসে পাথর ছুঁড়ে মারছে।  নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগের দিন বুধবার বিক্ষুব্ধ জনগণকে থামাতে পুলিশ গুলি চালালে দুইজন নিহত হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে হামলা চালালে পুলিশ তাদেরকে প্রতিহত করতে গিয়ে গুলি চালায়।

এদিকে বুধবার এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জানা যায়, জয়নাবের হত্যাকারীকে গ্রেফতারে যে তার সন্ধান দিতে পারবে তার জন্য ১০ মিলিয়ন পুরস্কার ঘোষণা করেছে পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকার। এ ছাড়া পুলিশের গুলিতে নিহত দুইজনকে তিন মিলিয়ন করে দেয়া হবে বলেও ঘোষণা দেয়া হয়।  বিবিসি

Top