আপডেটঃ
সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে – নোমান হোসেনজনবল সংকট ফুলছড়ি রেন্জ বেপরোয়া বনদস্যুরাখুটাখালীর পীর হাফেজ মাওলানা আবদুল হাই হুজুর আর নেইরামুর অবকাশ কমিউনিটি সেন্টারে ইউএনও’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের  অভিযান ॥ মাদক ও জুয়ার সামগ্রীসহ আটক ৪মোমেন হওয়ার জন্য পরিপূর্ণ ইসলামে প্রবেশ করুনডুলাহাজারা ইসলাম প্রচার ইসলামী তরুণ সংঘের নতুন কমিটি গঠিতনাইক্ষ্যংছড়িতে ৪ জন অপহরনঃ মুক্তিপন দাবীমহেশখালীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যানিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের ছয় দফা পূরণ করতে হবেনাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়িতে চারজন কৃষক অপহরনচুনতির বিভিন্ন স্কুলে ৯৭ ব্যাচ এর উদ্যোগে দরিদ্র শিশুদের মাঝে পোশাক বিতরণঃকর্ণফুলীতে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রেফতার,ছাড়িয়ে নিতে জোর তদবিরঃশ্রীলঙ্কাকে গুঁড়িয়ে দিল টাইগাররাআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলেরবিজয়ের পথে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা হত্যার কথা স্বীকার মিয়ানমার সেনাবাহিনীর

Mayanmer.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এই প্রথমবারের মতো রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যায় তাদের সমম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং লেইংয়ের কার্যালয় থেকে এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, মিয়ানমার সেনাবাহিনী কথিত সন্ত্রাস দমন অভিযানে ১০ রোহিঙ্গাকে ধরার পর হত্যার সাথে জড়িত ছিল।

সেনাবাহিনী বলছে, এক তদন্তে উঠে এসেছে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য মংডুর কাছে ডিন গ্রামে দশ রোহিঙ্গাকে হত্যার সাথে জড়িত রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়, ওই সেনা সদস্যরা রোহিঙ্গাদেরকে ‘বাঙ্গালী সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে তাদের ওপরে হিংসাত্মক হামলা চালাতে স্থানীয় গ্রামবাসীদের সহায়তা করেছিল।

গত মাসে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ডিন গ্রামে একটি গণকবরের ভেতর থকে ১০টি মাথার খুলি পাওয়ার পর সে বিষয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছিল। ওই তদন্ত শেষে উঠে আসা ফলাফল দেশটির সেনা কমান্ডার ইন চিফের ফেসবুকে পোস্ট করা হয়। এতে বলা হয়ে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর ওই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।

পোস্টে আরো বলা হয়, গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উভয়পক্ষই স্বীকার করেছে যে তারা ১০ জন ‘বাঙ্গালী সন্ত্রাসী’কে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সেনাবাহিনী। তবে ফেসবুক পোস্টে এটিও বলা হয় যে, এমন ঘটনা ঘটেছে কারণ সেখানে বৌদ্ধ সম্প্রদায় সন্ত্রাসীদের দ্বারা ভীত এবং প্ররোচিত হয়েছিল।

এতে আরো বলা হয়, ১০ রোহিঙ্গাকে প্রথমে আটক করেন সেনাসদস্যরা। পরে তাদের একটি সমাধিক্ষেত্রে নিয়ে হত্যার সিদ্ধান্ত হয়। তবে মিয়নমারের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ ধরনের স্বীকারোক্তি বিরল। যদিও এর আগে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ এক তদন্তে দাবি করা হয়েছিল, রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা নির্যাতনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গত আগস্ট মাসে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর থেকে প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা।

ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনার বর্ণনা উঠে এসেছে তাদের কাছ থেকে। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সমর্থনে সেনাবাহিনী তাদের গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে এবং বহু বেসামরিক মানুষদের হত্যা করেছে। যদিও মিয়ানমারের সেনা কর্তৃপক্ষ বেসামরিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি

Top