আপডেটঃ
“সংসদ নির্বাচন” ইসির ক্ষমতার প্রয়োগ দেখতে চাইহাঁটলে ওজন কমে, কিন্তু কতক্ষণ?টিভিতে ফেরদৌস-মৌসুমীর ‘পোষ্ট মাস্টার ৭১’জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাকে পাচ্ছেন কোটি টাকা?কালো টাকায় মনোনয়ন বাণিজ্যআওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের সত্যিকারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়: শেখ আফিল উদ্দিন এমপিপ্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামীলীগ সরকার: সিরাজুল হক মঞ্জু৪৮তম বিজয় উদযাপনে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধবিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার বন্ধ না করলে কঠোর আন্দোলন : শাহজাহান চৌধুরীআ’লীগের জুলুম-নির্যাতনের জবাব দিতে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধৈর্য ধরুন : লুৎফুর রহমান কাজলউখিয়া-টেকনাফের সাধারন জনগনের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে নৌকার প্রার্থী শাহীনক্রিকেটের মতো রাজনীতিতেও অবদান রাখতে চান মাশরাফি১৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধসেনাবাহিনীকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে : সিইসি

তৃতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষকরা, অসুস্থ ৬৬

teacher.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত সকল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। কন কনে শীতে টানা আট দিন অবস্থান ধর্মঘটের পর গত মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন শিক্ষকরা। তাদের এই ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। এদিকে, তৃতীয় দিনে এখন পর্যন্ত অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ জন শিক্ষক।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির মহাসচিব কাজী মখলেছুর রহমান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, তৃতীয় দিনের মতো আজ আমরা অনশন চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আরো অনেকেই অসুস্থ। তবে আমাদের এই ন্যায্য দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অনশন কর্মসূচি চলবে।

তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সরকারের কোনো পক্ষের কাছ থেকে কোনো ধরনের আশ্বাস পাইনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কাউকে পাঠিয়ে আমাদের খোঁজ নিয়ে দেখেন, আমরা কী কষ্টে আছি।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আমরা শিক্ষামন্ত্রীর কোনো কথায় আর আশ্বস্ত না। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ঘোষণা শুনতে চাই। অন্যথায় আমরা অনশন চালিয়ে যাব।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, একই পরিপত্রে ১৯৯৪ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করা হয় ৫০০ টাকা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি ৫ম শ্রেণির কার্যক্রম একই হলেও ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে সরকার। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি মাসে ২২ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতন হলেও ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা সরকারের থেকে কোনো বেতন পান না।

মাদরাসা শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি স্থলে গিয়ে দেখা যায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের মূল গেটের পাশের ফুটপাত ও রাস্তার পাশে অবস্থান নিয়েছেন কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষক।

‘বেতন দাও নইলে ভাত দে, মোগো বেতন নইলে বিষ,’ ‘বেতনবঞ্চিত ৩২ বছর, হামরা খুব কষ্টে আছি’, ‘চাকরি আছে বেতন নাই, এমন কোনো দেশ নাই’, এ ধরনের নানা স্লোগানের প্ল্যাকার্ড হাতে দাবি পূরণের পক্ষে অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন সারাদেশ থেকে আসা মাদরাসা শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

প্রসঙ্গত, জাতীয়করণের দাবিতে গত পয়লা জানুয়ারি সোমবার থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা।

Top