আপডেটঃ
সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে – নোমান হোসেনজনবল সংকট ফুলছড়ি রেন্জ বেপরোয়া বনদস্যুরাখুটাখালীর পীর হাফেজ মাওলানা আবদুল হাই হুজুর আর নেইরামুর অবকাশ কমিউনিটি সেন্টারে ইউএনও’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের  অভিযান ॥ মাদক ও জুয়ার সামগ্রীসহ আটক ৪মোমেন হওয়ার জন্য পরিপূর্ণ ইসলামে প্রবেশ করুনডুলাহাজারা ইসলাম প্রচার ইসলামী তরুণ সংঘের নতুন কমিটি গঠিতনাইক্ষ্যংছড়িতে ৪ জন অপহরনঃ মুক্তিপন দাবীমহেশখালীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যানিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের ছয় দফা পূরণ করতে হবেনাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়িতে চারজন কৃষক অপহরনচুনতির বিভিন্ন স্কুলে ৯৭ ব্যাচ এর উদ্যোগে দরিদ্র শিশুদের মাঝে পোশাক বিতরণঃকর্ণফুলীতে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রেফতার,ছাড়িয়ে নিতে জোর তদবিরঃশ্রীলঙ্কাকে গুঁড়িয়ে দিল টাইগাররাআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলেরবিজয়ের পথে বাংলাদেশ

হিংস্র আচরণ করে বাঙালিদের আলাদা করে দিয়েছি: নওয়াজ

Pak-2.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ একাত্তরে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্মমতার কথা স্বীকার করে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ বলেছেন, হিংস্র আচরণ করে বাঙালিদের আমরা নিজেদের থেকে আলাদা করে দিয়েছি। মঙ্গলবার ইসলামাবাদের পাঞ্জাব হাউজে নিজ দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে দেয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খবর: ডন উর্দু। নওয়াজ শরীফ বলেন, ‘পাকিস্তান তৈরিতে সবচেয়ে বেশি চেষ্টা-কষ্ট করেছে বাঙালিরা। কিন্তু আমরা তাদের সঙ্গে হিংস্র আচরণ করেছি এবং নিজেদের থেকে আলাদা করে দিয়েছি। ফলে পাকিস্তান দুই টুকরো হয়ে গেছে।’

সাবেক এই পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এসব বিষয় অধ্যয়ন করার প্রয়োজন রয়েছে। ১৯৭১ সালে আমরা এমন কী কী করেছি যার ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের আবেগ আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। এরা তো সেই জনগণ ছিল, যারা কায়েদে আজমের (মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ) সঙ্গে পাকিস্তান বানাতে নিয়ামকের ভূমিকা রেখেছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা ভাগ হয়ে যাওয়া নিয়ে বিচারপতি হামুদুর রহমান যে কমিশন গঠন করেছিলেন, তারা সব খুঁটিনাটি কারণ উদ্ঘাটন করেছিলেন এবং সত্য প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু আমাদের কেউ ওই কমিশনের রিপোর্ট আমলে নেয়নি। আমরা যদি সে অনুযায়ী কাজ করতাম, তাহলে আজকের পাকিস্তান ভিন্ন রকম হতো।’

ফেডারেল ব্যবস্থা এবং সংবিধানে মুসলিমদের সুরক্ষা প্রদানে হিন্দুদের বিরোধিতার কারণে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ভাগ হয়। ভূখণ্ড ভাগে ন্যায্যতার দাবিতে চলা আন্দোলনে জিন্নাহর নেতৃত্বে অগ্রভাগেই ছিলেন বাঙালি নেতারা।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিকতন্ত্রের শোষণের মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ নামে নতুন দেশের অভ্যুদয় হয়।

তবে পাকিস্তান বাহিনীর গণহত্যা ও গণধর্ষণের মতো নিষ্ঠুরতা কারণে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছিল। এতে শহীদ হয়েছিলেন ৩০ লাখ বাঙালি আর সম্ভ্রম হারিয়েছেন লাখো বাঙালি নারী।

এমনকি স্বাধীনতার মাত্র দু’দিন আগে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। পাক হানাদার বাহিনীকে একাজে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর সদস্যরা। জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা এসব বাহিনী গঠন করেছিল।

Top