আপডেটঃ
গর্জনিয়ায় সন্ত্রাসী কয়দায় নিরহ এক যুবক কে পেটালো প্রতিপক্ষকর্ণফুলীর জুলধায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দউন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিনবর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনওয়াশিংটনের ‘বার্তা’ কাদেরকে জানালেন বার্নিকাটনভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিলঐক্যফ্রন্ট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে, জানতে চান বিদেশি কূটনীতিকরাজনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেইদক্ষিন শার্শায় মাদকের নেশা ছড়িয়ে পড়ছে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা সচেতন মহলেরশার্শায় ওয়ান সুটার গুলি সহ আটক ১লোকবল সংকটে বন্ধ হিলি রেল স্টেশন বিপাকে পড়ছেন পাসপোর্টধারী যাত্রী ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরাকক্সবাজারের মানবতার শ্রেষ্ট মানব সেবক ড়াক্তার রেজাউল করিম মনছুরযেখানে সেখানে কান পরিষ্কার করবেন নাসাকিবের না থাকাটা আমার জন্য বাড়তি দায়িত্ব : মিরাজআন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আইইই ডে’ পালিত

এবার দাবি আদায়ে ধর্মঘটে ইবতেদায়ি শিক্ষকরা, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

Teacher-1.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে ৯ দিনের অবস্থান ধর্মঘটের পরও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় আমরণ অনশন শুরু করেছেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা। মঙ্গলবার ( ৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আশ্বাসের অপেক্ষা করে নিরুপায় হয়ে তারা আমরণ অনশনে যান। তাদের একমাত্র দাবি, ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ। বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ১৯৯৪ সাল থেকে একই পরিপত্রে নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন ৫০০ টাকা করা হয়। পরে ধাপে ধাপে বেতন বাড়তে থাকে তাদের। ২০১৩ সালে ৯ জানুয়ারি মহাজোট সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে।

শিক্ষকরা বলছেন, ইবতেদায়ি মাদ্রাসার সব কার্যক্রম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পেলেও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা তেমন কিছুই পান না। এই দুর্মূল্যের বাজারে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা অমানবিকতার শিকার বলে দাবি করেন তারা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ধরে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসছেন। এই দাবিতে গত ১০ নভেম্বর প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা। এসময় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয়করণের আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।

ওই আল্টিমেটামে কাজ না হলে ১ জানুয়ারি থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে আসছেন শিক্ষকরা। এর মধ্যে গতকাল সোমবার (৮ জানুয়ারি) তারা জানান, এদিনের মধ্যে দাবি আদায় না হলে মঙ্গলবার (০৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে আমরণ অনশন শুরু করবেন তারা। সেই ঘোষণা অনুযায়ী এবার আমরণ অনশন শুরু করলেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

শিক্ষকরা বলছেন, সরকার থেকে বেতন-ভাতা না পাওয়ায় তাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এজন্য তারা দাবি করছেন রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে যেভাবে সরকারি করা হয়েছে, তাদেরও সেভাবে জাতীয়করণ করতে হবে।

এর আগে, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বেতন-ভাতায় বৈষম্য নিরসনের দাবিতে আমরণ অনশন করে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোট। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে ২৫ ডিসেম্বর তারা অনশন কর্মসূচি শেষ করেন। পরে এমপিওভুক্তির দাবিতে সদ্যবিদায়ী বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেন নন-এমপিও শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে ৫ জানুয়ারি অনশন ভাঙেন তারা।

Top