আপডেটঃ
গর্জনিয়ায় সন্ত্রাসী কয়দায় নিরহ এক যুবক কে পেটালো প্রতিপক্ষকর্ণফুলীর জুলধায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দউন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিনবর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনওয়াশিংটনের ‘বার্তা’ কাদেরকে জানালেন বার্নিকাটনভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিলঐক্যফ্রন্ট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে, জানতে চান বিদেশি কূটনীতিকরাজনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেইদক্ষিন শার্শায় মাদকের নেশা ছড়িয়ে পড়ছে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা সচেতন মহলেরশার্শায় ওয়ান সুটার গুলি সহ আটক ১লোকবল সংকটে বন্ধ হিলি রেল স্টেশন বিপাকে পড়ছেন পাসপোর্টধারী যাত্রী ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরাকক্সবাজারের মানবতার শ্রেষ্ট মানব সেবক ড়াক্তার রেজাউল করিম মনছুরযেখানে সেখানে কান পরিষ্কার করবেন নাসাকিবের না থাকাটা আমার জন্য বাড়তি দায়িত্ব : মিরাজআন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আইইই ডে’ পালিত

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Polish-Dig-mijan.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ যত বড় কর্মকর্তাই হোক, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তিনি যদি গর্হিত কাজ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এক নারী ব্যাংকারকে জোর করে বিয়ে এবং নির্যাতন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল একথা বলেন।

সোমবার বিকালে রাজধানীর নাখালপাড়ায় শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আইজিপির নেতৃত্বে শিগগিরই তদন্ত কমিটি গঠিত হবে। তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিআইজির বিরুদ্ধে ওই ব্যাংকার নারীর অভিযোগ, গত বছরের জুলাই মাসে তার বাসা থেকে তাকে কৌশলে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডে তার বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল ওই নারীকে। আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মাকে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় ডিআইজি মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে ওই নারীর সঙ্গে বসবাস করেছেন ডিআইজি মিজান। নিজের ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি শেয়ারের পর ওই নারীর ওপর ক্ষেপে যান ডিআইজি মিজান।

পরে বাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়। দুই মামলাতেই জামিনের পর ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তোলেন ওই নারী।

ওই নারী বলেছেন, ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিলেন ডিআইজি। কিন্তু ওই নারী বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ করেন। অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তান কানাডায় বসবাস করেন। এদিকে পুলিশের এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরো একাধিক নারীকে উত্ত্যক্ত করাসহ পুলিশ দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Top