আপডেটঃ
সব সদস্য রাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করলে শান্তি নিশ্চিত হয় : স্পিকারনির্বাচন কবে, জানতে চাইলেন মার্কিন কূটনীতিকসভাপতি কমল এমপি, সাধারণ সম্পাদক হুদা বঙ্গবন্ধু পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি অনুমোদনযশোরে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহতহিলিতে জাতীয় ইদুঁর নিধন অভিযানের উদ্বোধনসৌদি কনস্যুলেট খাসোগিকে খুঁজবেন তুর্কি তদন্তকারীরালালন শাহের ১২৮ তম তিরোধান দিবসপর্যটক ও পূণ্যার্থীদের দুর্ভোগ… রামু চাবাগান- উত্তর মিঠাছড়ি সড়কে অসংখ্য গর্ত ॥ সংস্কার জরুরীচট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ১৩টি পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীকে সরানো যাচ্ছেনাকর্ণফুলীতে চলছেনা গাড়ি: আরাকান মহাসড়কে ধর্মঘটফেসবুকে নায়িকা সানাই এর ২৭৮টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট,থানায় জিডিসেন্টমার্টিনে রাত্রিকালীন নিষেধাজ্ঞা: পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কাআশা ইউনিভার্সিটিতে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনারশাহপরীরদ্বীপে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৪ পরিবার পেল নগদ টাকাসহ ৩০ কেজি করে চালবেনাপোল কাস্টমসে ১কেজি ৭শ গুড়ো সোনা সহ আটক ১

কর্ণফুলীতে চার নারী ধর্ষণের ঘটনায়– জহিরুলের জবানবন্দিতে আদালতে তিন নারী ধর্ষণের ঘৃণ্য বর্ণনাঃ

2018-01-03-23.09.55.jpg

জে,জাহেদ বিশেষ প্রতিবেদকঃ

কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান এলাকায় প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করে চার নারী ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় তিনজন জড়িত। তারা হলেন- মিজান মাতব্বর, রুবেল ও ইলিয়াছ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে ঢাকা সায়েদাবাদ হতে আটককৃত আসামি জহিরুল ইসলাম হাওলাদার (২৬) এ তথ্য জানিয়েছেন।

তবে তিনি ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত নন বলে জবানবন্দি দেন।

আসামি জহিরুলের জবানবন্দি রেকর্ড করেন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মোহাম্মদ নোমান।

যে আদালতে ইতিমধ্যে মিজান মাতব্বরও জবানবন্দি দিয়েছেন সে ধর্ষণে জড়িত নয় মর্মে। তবে চেষ্টা করেছিলেন আর বাকিদের জন্য পারেননি বলে বলেছিলেন।

এর আগে বুধবার ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে জহিরুল ইসলাম হাওলাদারকে গ্রেফতার করে পিবিআই।

গত ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমিরপুর গ্রামে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে বাড়ির চার নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা।

চারজনের মধ্যে তিনজন প্রবাসী তিন ভাইয়ের স্ত্রী, অন্যজন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা ননদ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জবানবন্দিতে জহিরুল প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ এবং ডাকাতি নিয়ে পুরো ঘটনার বিবরণ দেন।

“নিজেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লোকাল বাস চালক বলে উল্লেখ করে জহিরুল বলেন, রুবেলই তাকে ডাকাতির জন্য নিয়ে গিয়েছিল। লুটপাট শেষ হওয়ার পর ইলিয়াছ একজন অল্পবয়সী মেয়ে এবং আরেকজন মহিলা নিয়ে একটি রুমের ভেতরে যায়। এরপর মিজান মাতব্বর আমার কাছে টাকা-পয়সার ব্যাগটি দেয় এবং সে অন্য একজন মহিলাকে নিয়ে আরেকটি রুমে যায়।

১৫-২০ মিনিট পর ইলিয়াছ অল্পবয়সী মেয়েটিকে রেখে যায়। রুবেল (পিবিআইয়ের তথ্যমতে মাইদুল) ওই মেয়েটিকে নিয়ে আরেকটি রুমে চলে যায়। তখন আমি একজন বয়স্ক মহিলা, একজন গর্ভবতী মহিলা এবং বাচ্চাদের পাহারা দিই। কিছুক্ষণ পর মিজান মাতব্বর, রুবেল ও ইলিয়াছ রুম থেকে বের হয়ে আসেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ ‍কুমার চাকমা বলেন, জহিরুলের জবানবন্দিতে তিনজন নারীকে ধর্ষণের বিষয় পাওয়া গেছে। তবে আমাদের তদন্তে আমরা দু’জনকে ধর্ষণের তথ্য পেয়েছি। এছাড়াও মিজান মাতব্বর জবানবন্দি দিয়ে ধর্ষণে জড়িত নন বলে জানিয়েছিল। কিন্তু জহিরুলের জবানবন্দিতে মিজানও ধর্ষণে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

জহিরুলের জবানবন্দি অনুযায়ী তিন ধর্ষকের মধ্যে রুবেল এবং ইলিয়াছকে পুলিশ এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে পিবিআই অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান।

এর আগে এ ঘটনায় পুলিশ আরো তিনজনকে গ্রেফতার করে। তবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দির মধ্যে তাদের কারো নাম উল্লেখ করেনি কেউ।

স্থানীয় জনগণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে কেননা একেক জনের তথ্য একেক রকম,আর কর্ণফুলী থানায় আটক তিন জনের বিষয়েও প্রশাসনের সুস্পষ্ট বক্তব্য দরকার।

আর এখনো জহিরুলের মতে আরো দুজন মুল অপরাধী পুলিশের খাঁচার বাহিরে দিব্যি ঘুরছে। তবে হান্নান মেম্বার কি বলেছে তাও দেখার বিষয়।

অপরাধী যে হোক, কর্ণফুলী উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চায়। এবং নিরাপরাধ মানুষদের হয়রানি না করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হোক প্রকাশ্যে, সেটাই দাবি করছে স্থানীয় জনগণ।

Top