আপডেটঃ
সৌদি কনস্যুলেট খাসোগিকে খুঁজবেন তুর্কি তদন্তকারীরালালন শাহের ১২৮ তম তিরোধান দিবসপর্যটক ও পূণ্যার্থীদের দুর্ভোগ… রামু চাবাগান- উত্তর মিঠাছড়ি সড়কে অসংখ্য গর্ত ॥ সংস্কার জরুরীচট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ১৩টি পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীকে সরানো যাচ্ছেনাকর্ণফুলীতে চলছেনা গাড়ি: আরাকান মহাসড়কে ধর্মঘটফেসবুকে নায়িকা সানাই এর ২৭৮টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট,থানায় জিডিসেন্টমার্টিনে রাত্রিকালীন নিষেধাজ্ঞা: পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কাআশা ইউনিভার্সিটিতে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনারশাহপরীরদ্বীপে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৪ পরিবার পেল নগদ টাকাসহ ৩০ কেজি করে চালবেনাপোল কাস্টমসে ১কেজি ৭শ গুড়ো সোনা সহ আটক ১এবার ইতালিতে পুরস্কৃত তৌকীরের ‘হালদা’বাংলাদেশের নিপীড়িত সাংবাদিকদের পক্ষে যুক্তরাজ্যবাংলাদেশ এখন পিছিয়ে পড়া প্রতিবেশী নয় : ভারতীয় গণমাধ্যমআখেরি চাহার সোম্বা ৭ নভেম্বরব্রাজিলকে বার্তা দিল আর্জেন্টিনা

রোহিঙ্গা সংকটের ধাক্কায় কাত মিয়ানমারের পর্যটন শিল্প?

Myanmer.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ শীত হচ্ছে পর্যটনের ভরা মৌসুম। কিন্তু ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর অবধি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অতিথির সংখ্যা অন্যান্যবারের চাইতে প্রায় দশ শতাংশ কম বলে জানিয়েছে খোদ মিয়ানমার পর্যটন ফেডারেশন।

 

এর কারণ কি রোহিঙ্গা সংকট?

 

মিয়ানমারে একাধিক হোটেল আছে জার্মান নাগরিক গেরাল্ড শ্রাইবার-এর। এর একটি রাখাইন রাজ্যের এনগাপালি সৈকতাবাসে। স্থানটি মূল সংঘাতের এলাকা থেকে কয়েক শ’ কিলোমিটার দূরে।

 

শ্রাইবার মিয়ানমারে তাঁর প্রথম হোটেলটি খোলেন ১৯৯৬ সালে। ২০১৭ সালে তাঁর হোটেলগুলোতে অতিথিদের রাত্রিবাসের সংখ্যা ৩০ শতাংশ কমেছে বলে শ্রাইবার নিজেই জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএকে জানিয়েছেন। তিনি সরাসরি বলেন, ‘‘আমরা খুব বেশি নতুন বুকিং পাচ্ছি না। সম্ভাব্য পর্যটকরা মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন।”
অর্থনীতি ও পর্যটন শিল্পে কালো ছায়া

 

২০১৭-১৮ সালে মিয়ানমারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) গত মাসে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, অর্থনৈতিক বিকাশের ওপর রাখাইন রাজ্যের ঘটনাবলীর ছায়া পড়বে, বিশেষ করে পর্যটন শিল্প এই সংকটের দ্বারা প্রভাবিত হবে.

 

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস অবধি ইয়াঙ্গন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আগত অতিথিদের সংখ্যা দশ শতাংশ কমে গেছে এবং প্রায় দুই শতাংশ টুরিস্ট বুকিং বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়ে মিয়ানমার টুরিস্ট ফেডারেশনের উপসভাপতি মে মিয়াত মন উইন ইমেল মারফৎ ডিপিএ সংবাদ সংস্থাকে বলেন, ‘‘(পর্যটন শিল্পের) কর্মীদের মূল উদ্বেগ হলো, আগামীতে কী পরিমাণ নতুন বুকিং হবে ও কী পরিমাণ পর্যটক আসবেন।”

 

বহু বছরের সামরিক শাসন থেকে ২০১১ সালে ”মুক্তি” পাওয়া যাবৎ মিয়ানমারে টুরিস্টদের আগমন বছরে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ করে বেড়েছে বলে অক্সফোর্ড বিজনেস গ্রুপের পরিসংখ্যানে প্রকাশ। ওদিকে খনিজ তেলের দাম পড়ে যাওয়ার পরে টুরিজম বিদেশি মুদ্রা অর্জনের একটি মুখ্য পন্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিয়ানমারের জিডিপি-র প্রায় ৬ দশমিক ৬ শতাংশ আসে পর্যটন শিল্প থেকে; শুধু ২০১৬ সালে এই শিল্প আট লাখ নতুন চাকুরি সৃষ্টি করে, যা কিনা সামগ্রিক কর্মসংস্থানের ২ দশমিক ৭ শতাংশ।

 

এমন অবস্থায় রোহিঙ্গা সংকটের ফলে পর্যটন শিল্পই বিপন্ন হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো এ ব্যাপারে বিশেষ স্পর্শকাতর। মিয়ানমারে মানবাধিকার ভঙ্গ হচ্ছে – সম্ভাব্য পর্যটকদের এই ধারণা পশ্চিমা ট্যুর অপারেটরদের বিশেষ চিন্তায় ফেলেছে। কেননা পশ্চিমা টুরিস্টরা মিয়ানমারের পরিবর্তে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লাওস ও শ্রীলঙ্কায় যেতে শুরু করেছেন এবং আরো বেশি হারে করতে পারেন।

 

মিয়ানমার টুরিজম ফেডারেশনের আরেক উপসভাপতি খিং অং তুন অভিমত প্রকাশ করেন যে, রাখাইন সংকটের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে বহু বছর সময় লেগে যেতে পারে। সূত্র : রয়টার্স

Top