রোহিঙ্গাদের কারনে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে- সাইফুল আশ্রাব,

20171206_120838.jpg

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাইফুল আশ্রাবের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা হয় দৈনিক আলোকিত উখিয়ার নির্বাহী সম্পাদক নেজাম উদ্দিনের। তিনি সেখানে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি আলোকপাত করেন। উক্ত দপ্তরে তিনি ৩ অক্টোবর ২০১৭ তারিখ যোগদান করেন। সাইফুল আশ্রাব জানান, যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনি ৩০টি অভিযান চালিয়েছেন। পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা করছেন। আর ৩টি মামলা করছেন পলিথিনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন রোহিঙ্গাদের কারণে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটেছে। তবে সরকার এব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান। 

কলাতলীতে হোটেল মোটেল জোনে শুধুমাত্র ২টি হোটেল পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে চলছে। বাদবাকী সমস্ত হোটেল এখনোও পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেয়নি। পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে এসব হোটেল চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইটভাটা গুলোর প্রসঙ্গে তিনি জানান, এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ ইটভাটা পরিবেশ আইন মানছেনা। তবে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা পরিবেশ আইন মানার চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোনো পদ্ধতি পরিহার করে পরিবেশ বান্ধব জিগজ্যাগ পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০% ইটভাটা এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিবেদক কক্সবাজারে বেসরকারী হাসপাতাল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান শুধু মাত্র আল ফুয়াদ হাসপাতাল ছাড়া কারো পরিবেশের ছাড়পত্র নেই এই নিয়ে আমরা অচিরেই একটা ব্যবস্হা গ্রহন করবো,  হহাসপাতালের বর্জ ধ্বংসের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন যেহেতু ইনসেনেটর মেশিন একটি ব্যয়বহুল অনেকই তা ক্রয় করার কক্ষতা থাকেনা তাই আমরা একটি বিদেশী এনজিও এর সাথে কথা বলেছি আশা করছি এই হাসপাতালের দুষিত বর্জ গুলো যেন সঠিকভাবে ধ্বংস করা যায়। , ককসবাজার জেলায় বিভিন্ন স্হানে পাহাড় কাটা নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন আমরা পাহাড় কাটা অভিযান অব্যাহত রেখেছি যখনই খবর পাই সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে পাহাড় খেকোদের  আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করি,  আরো জানান বর্তমানে কক্সবাজার অফিসে জনবল কম হওয়াতে অভিযান পরিচালনায় একটু কষ্টকর  হয় তার পরও আমরা আমাদের মত চেষ্টা করে যাচ্ছি, এক পর্যায়ে প্রতিবেদকে সেন্ট মার্টিন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন বর্তমানে সেন্টমার্টিনের আমরা নজরদারী রাখছি আর যে সব কটেজ ও স্হাপনা রয়েছে তারা যেন কোন প্রকার পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন করছি, পোল্ট্রি ফার্মের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই ফার্ম করতে পরিবেশের ছাড়পত্র প্রয়োজন পড়ে এবং অনেকের আছে তবে যাদের নেই এমন খবর পেলে আমরা অভিযান চালাবো,
পরিশেষে তিনি বলেন আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাবো যেন পরিবেশ রক্ষায় কাজ করতে পারি, এবং পরিবেশ বিপর্যয় ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনের আওতায় আনবো,  এতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন সহকারী পরিচালক   সাইফুল আশ্রাব। ,

Top