আপডেটঃ
চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় মেয়েরা এগিয়েচট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৬২ দশমিক ৭৩ শতাংশকর্ণফুলী আওয়ামীলীগ,সাংগঠনিক দুর্বলতায় ভোগছেযে দানে চরম শত্রু থেকে বন্ধু হলেন প্রিয়নবিআসছে শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ!ঈদে সাত পর্বের নাটকে ঊর্মিলাবাংলাদেশের যে কোনো সংকটে পাশে থাকবে ভারতহৃদয় জেতা ক্রোয়েশিয়া আজ ট্রফিও জিতুক!কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনচট্টগ্রাম পানির ট্যাংক থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধারআওয়ামীলীগের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত, ৮৫টি সংসদীয় আসনে আসছে নতুন মুখবহিষ্কৃত এএসআই ইয়াবা সহ ডিবির হাতে গ্রেফতার:চট্টগ্রাম শাহ আমানত মার্কেটে আগুনক্ষমতা চিরস্থায়ী করার পাঁয়তারা করছে সরকার: ফখরুলভিসির বাসভবনে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে কি ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করবেন পোপ?

Pop-2.jpg

(কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিওর পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকারটি দেখতে পাবেন বিবিসি বাংলার টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহে, প্রচারিত হবে আজ রাত ৯ টা ৩৫ মিনিটে চ্যানেল আইতে)

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ পোপ ফ্রান্সিস তার সদ্য সমাপ্ত মিয়ানমার সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করায় এরই মধ্যে নানা সমালোচনা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের ঢাকা সফরে তিনি ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি মুখে আনবেন কি না।

বাংলাদেশের প্রথম কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’রোজারিও বলছেন, এখানে পোপের রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করতে তিনি কোন আপত্তি দেখছেন না।

বিবিসি বাংলার শারমিন রমাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কার্ডিনাল ডি’রোজারিও বলেন, “উনি কি শব্দ ব্যবহার করবেন, তাতো আমি জানি না। তবে রোহিঙ্গা শব্দটি একটু সংবেদনশীল মনে হয় মিয়ানমারের জন্য। এটা রাজনৈতিক কারণে”।

পোপ এর আগে রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শব্দটি ব্যাবহার হচ্ছে। আমিও করেছি। এখনও করছি। বিকল্প কি বলব”?

এমন সময় পোপ মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করছেন, যখন এই অঞ্চল কয়েক মাস ধরে রোহিঙ্গা সংকটে কাতর হয়ে আছে।

ফলে স্বভাবতই বিশ্ববাসীর নজর ছিল, এই ইস্যুতে পোপের বক্তব্য কি হয়।

(বাংলাদেশের প্রথম কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’রোজারিও)

কিন্তু আগেই মিয়ানমারের কার্ডিনাল চার্লস মোং বো পোপকে পরামর্শ দিয়ে রেখেছিলেন, সেখানে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার না করতে।

শেষ পর্যন্ত ওই ‘পরামর্শ’ই অনুসরণ করেছেন পোপ।

রাখাইন রাজ্যের মুসলমান জনগোষ্ঠীকে ‘রোহিঙ্গা’ বলতে ঘোরতর আপত্তি রয়েছে মিয়ানমারের।

অবশ্য সরকারিভাবে বাংলাদেশও এখন রোহিঙ্গা শব্দটি এড়িয়ে চলছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ সরকার বলছে ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের অধিবাসী’।

বাংলাদেশে আজ থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের সফরে তিনি কেন কক্সবাজারে যাচ্ছেন না, সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

(বিবিসি বাংলার শারমিন রমাকে কার্ডিনাল ডি’রোজারিও বলেন, বাংলাদেশে পোপের ‘রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণে কোন সমস্যা তিনি দেখেন না।)

এই প্রসঙ্গে কার্ডিনাল ডি’রোজারিও বলেন, পোপের সফরটির পরিকল্পনা অনেক আগে করা, সেসময় রোহিঙ্গা সংকট ছিল না।

পোপের একটি সফর পরিকল্পনা করতে অনেক সময় লাগে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘটনা ঘটেছে মাত্র ২৫শে অগাস্ট। কিন্তু ইতিমধ্যে সবকিছু পরিকল্পিত হয়ে গেছে।

“এই সময়ে এটা সম্ভবপর ছিল না তার জন্য। আর বিষয়টাও তো অস্থির ছিল সরকারের জন্য…কাজেই ওই সময়ে সরকারের জন্য ওটা আয়োজন করা খুব কষ্টকর ছিল”।

অবশ্য কক্সবাজার সফরে না গেলেও সেখান থেকে শরণার্থী রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধি দলকে ঢাকায় এনে পোপের সাথে সাক্ষাৎ করিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে।

জানা যাচ্ছে বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পোপের সাক্ষাতের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গাদের এই প্রতিনিধিদলটি পোপের সাক্ষাৎ পাবে।

সুত্রঃবিবিসি বাংলা

Top