আপডেটঃ
সব সদস্য রাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করলে শান্তি নিশ্চিত হয় : স্পিকারনির্বাচন কবে, জানতে চাইলেন মার্কিন কূটনীতিকসভাপতি কমল এমপি, সাধারণ সম্পাদক হুদা বঙ্গবন্ধু পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি অনুমোদনযশোরে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহতহিলিতে জাতীয় ইদুঁর নিধন অভিযানের উদ্বোধনসৌদি কনস্যুলেট খাসোগিকে খুঁজবেন তুর্কি তদন্তকারীরালালন শাহের ১২৮ তম তিরোধান দিবসপর্যটক ও পূণ্যার্থীদের দুর্ভোগ… রামু চাবাগান- উত্তর মিঠাছড়ি সড়কে অসংখ্য গর্ত ॥ সংস্কার জরুরীচট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ১৩টি পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীকে সরানো যাচ্ছেনাকর্ণফুলীতে চলছেনা গাড়ি: আরাকান মহাসড়কে ধর্মঘটফেসবুকে নায়িকা সানাই এর ২৭৮টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট,থানায় জিডিসেন্টমার্টিনে রাত্রিকালীন নিষেধাজ্ঞা: পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কাআশা ইউনিভার্সিটিতে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনারশাহপরীরদ্বীপে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৪ পরিবার পেল নগদ টাকাসহ ৩০ কেজি করে চালবেনাপোল কাস্টমসে ১কেজি ৭শ গুড়ো সোনা সহ আটক ১

মিয়ানমারে গণহত্যার ‘জোরালো প্রমাণ’ পাওয়া গেছে

myanmar-rohinga.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্স: মিয়ানমারে গণহত্যার ‘জোরালো প্রমাণ’ পাওয়া গেছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিমদের গলাকেটে ও জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে। বুধবার হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভিত্তিক ফোর্টিফাই রাইটস-এর এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়। খবর এএফপি’র।

প্রতিবেদনটিতে গত বছরের ৯ অক্টোবর ও ডিসেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে এবং চলতি বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারে বেসামরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ‘ব্যাপক ও একের পর এক হামলার’ প্রমাণ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

‘তারা আমাদের সবাইকে হত্যা করার চেষ্টা করে’ শীর্ষক ৩০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি রোহিঙ্গাদের ওপর নিষ্ঠুর হামলার প্রত্যক্ষদর্শী এবং ওই হামলার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া দু’শরও বেশি রোহিঙ্গার সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা কর্মীদের সাক্ষাতকারও নেয়া হয়েছে।

কোনো কোনো বিশ্বনেতা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই দমন অভিযানকে ইতোমধ্যে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

ফোর্টিফাই রাইটস ও হলোকাস্ট মিউজিয়ামের সংগৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণে দেখা গেছে ‘মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক দুষ্কৃতকারীরা মানবতা বিরোধী অপরাধ ও জাতিগত নিধনের’ মতো অপরাধ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে।’

গত বছরের অক্টোবর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করার পর এখন পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যের প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ রক্ষার্থে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

Top