রোহিঙ্গাদের ঘর ভাড়া দেয়ার দায়ে ৩ জনকে সাজা, ১৭১ রোহিঙ্গাকে ক্যাম্পে প্রেরণ

RAB.jpg

ওয়ান নিউজ:  টেকনাফ পৌরসভায় রোহিঙ্গাদের অবস্থানরত অর্ধশতাধিক ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব-৭। এসময় রোহিঙ্গাদের ঘর ভাড়া দেয়ার অভিযোগে র‌্যাবের আইন কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রিট সারওয়ার আলম ৩ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের সাজা প্রদান করা হয় এবং ১৭১ রোহিঙ্গাকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রেরণ করা হয়েছে।

আজ পৌরসভায় ২নং ওয়ার্ডের পুরান পলান পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমার রাখাইনে সহিংসতার পর থেকে দলে দলে রোহিঙ্গারা এদেশে আশ্রয় নেয়। এসব রোহিঙ্গাদের উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় দিয়েছে সরকার। কিন্তু অনেক রোহিঙ্গা বিভিন্ন গ্রাম ও শহরে ভাড়া বাসায় উঠে। ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন রোহিঙ্গাকে ভাড়া বাসা ও আশ্রয় না দেয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছিল। তবু এক শ্রেণির ভাড়া বাসার মালিক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। ফলে এলাকায় সহিংসতার পাশাপাশি চুরি, মাদক সেবনসহ অবৈধ কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে। এর প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৭ বিভিন্ন ভাড়া বাসায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে এবং ভাড়াটিয়াদের আইডি কার্ড, জম্ম নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। রোহিঙ্গারা আগাম খবর পেয়ে বাসায় তালা মেরে সটকে পড়ে।

এসব বাসার তালা ভেঙ্গে অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক মেজর রুহুল আমিন জানান, রোহিঙ্গাদের কোন ভাবেই ভাড়া বাসা দেওয়া যাবে না। রোহিঙ্গাদের ঘর ভাড়া দেওয়ার অভিযোগে ৩ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের সাজা প্রদান করা হয়েছে এবং ১৭১ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, তাদের জন্য নির্দিষ্ট আশ্রয় ক্যাম্পে রয়েছে। যারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে অপরাধে জড়িত হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও রোহিঙ্গাসহ যেকোন অপরাধীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Top