আপডেটঃ
কক্সবাজারের মানবতার শ্রেষ্ট মানব সেবক ড়াক্তার রেজাউল করিম মনছুরযেখানে সেখানে কান পরিষ্কার করবেন নাসাকিবের না থাকাটা আমার জন্য বাড়তি দায়িত্ব : মিরাজআন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আইইই ডে’ পালিতইতিহাসে ১ম বার মার্কিন সেনার বৃহত্তম কমান্ডের দায়িত্বে নারী!৩৭ বছর পর ইরানের মেয়েরা ফুটবল মাঠেআবার নির্বাসনে তনুশ্রী?সৌদি বাদশাহর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠককর্ণফুলীতে মামুন হত্যার আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভকুমারীপূজা উপলক্ষে হিলি সীমান্তে বিজিবিকে মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ভারতী বিএসএফবেনাপোল সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিলসহ ২ পাচারকারী আটকসব সদস্য রাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করলে শান্তি নিশ্চিত হয় : স্পিকারনির্বাচন কবে, জানতে চাইলেন মার্কিন কূটনীতিকসভাপতি কমল এমপি, সাধারণ সম্পাদক হুদা বঙ্গবন্ধু পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি অনুমোদনযশোরে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

সৌদির নিষেধাজ্ঞায় ভোগান্তিতে ইয়েমেন

saudi.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্স:  ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে শনিবার মিসাইল ছোড়ার ঘটনায় দু’দেশের মধ্যে পরিস্থিতিকে বেশ জটিল হয়ে উঠেছে। খবর বিবিসি।

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের দমন করতে দু’বছর ধরেই সৌদি আরব এবং এর জোট দেশগুলো বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। শনিবার হুতিরা সৌদি আরবে দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পরপরই দেশটির সঙ্গে সাময়িকভাবে স্থল, নৌ ও আকাশপথ বন্ধ করে দেবার ঘোষণা দেয় সৌদিজোট।

তবে সৌদি জোটের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ এবং মানবিক সংস্থাগুলো। এমন নিষেধাজ্ঞার কারণে জাতিসংঘ ও রেডক্রসের মতো সংস্থাগুলোর ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত হতে পারে। এই অবস্থাকে ত্রাণ কার্যক্রমে বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।

রেডক্রস জানিয়েছে, ইয়েমেনের সীমান্ত বন্ধের এই ঘোষণায় তাদের ক্লোরিন ট্যাবলেটের চালান বন্ধ করতে হয়েছে। যেসব এলাকায় কলেরা ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে এই ট্যাবলেটগুলো পানি শোধনের জন্যে পাঠানো হচ্ছিল। সেখানকার প্রায় ৯ লাখ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। সীমান্তে আটকে আছে ইনসুলিনসহ আরও কিছু জীবন রক্ষাকারী ওষুধ।

সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খাদ্য এবং ওষুধ সঠিকভাবে আক্রান্ত মানুষের কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে না। তাই এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়ের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি।

তবে ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হলেও এই হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করছে সৌদি আরব। যদিও ইরান প্রথম থেকেই হুতি বিদ্রোহীদের সহায়তার বিষয়টি নাকচ করে এসেছে।

২০১৫ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব জড়িয়ে পরার পর থেকে সৌদি জোটের বিমান হামলায় এ পর্যন্ত আট হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এদের শতকরা ৬০ ভাগই বেসামরিক লোক।

ইয়েমেনের হুতিপন্থী একটি সংবাদমাধ্যমের খবর বলা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় কিং খালেদ বিমানবন্দরের ওপর বিদ্রোহীরা একটি বুরকান এইচ-২ শ্রেণীর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেনের সীমান্ত থেকে এই বিমানবন্দরের দূরত্ব সাড়ে ৮শ কিলোমিটার।

এদিকে, সৌদি সংবাদমাধ্যমের খবর বলা হয়েছে, সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্রটিকে আকাশেই ধ্বংস করা হয়। কিন্তু এর কিছু অংশ ঐ বিমানবন্দরে গিয়ে পড়ে।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-যুবেইর সিএনএনকে বলেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে লেবাননের হিজবুল্লাহ সংগঠনও জড়িত। ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহ গেরিলারা এই রকেট ছুড়েছে বলে জানান তিনি।

Top