আপডেটঃ
সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে – নোমান হোসেনজনবল সংকট ফুলছড়ি রেন্জ বেপরোয়া বনদস্যুরাখুটাখালীর পীর হাফেজ মাওলানা আবদুল হাই হুজুর আর নেইরামুর অবকাশ কমিউনিটি সেন্টারে ইউএনও’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের  অভিযান ॥ মাদক ও জুয়ার সামগ্রীসহ আটক ৪মোমেন হওয়ার জন্য পরিপূর্ণ ইসলামে প্রবেশ করুনডুলাহাজারা ইসলাম প্রচার ইসলামী তরুণ সংঘের নতুন কমিটি গঠিতনাইক্ষ্যংছড়িতে ৪ জন অপহরনঃ মুক্তিপন দাবীমহেশখালীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যানিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের ছয় দফা পূরণ করতে হবেনাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়িতে চারজন কৃষক অপহরনচুনতির বিভিন্ন স্কুলে ৯৭ ব্যাচ এর উদ্যোগে দরিদ্র শিশুদের মাঝে পোশাক বিতরণঃকর্ণফুলীতে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রেফতার,ছাড়িয়ে নিতে জোর তদবিরঃশ্রীলঙ্কাকে গুঁড়িয়ে দিল টাইগাররাআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলেরবিজয়ের পথে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার জাতিগত নিধন চালাচ্ছে: জাতিসংঘ

UN.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর পদ্ধতিগতভাবে জাতিগত নিধন অভিযান চালানোর জন্য মিয়ানমারের কঠোর সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান জায়েদ রাদ আল হোসেইন।

সোমবার জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএনএইচআরসি) প্রধান বলেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে মানবাধিকারবিষয়ক তদন্তকারীদের রাখাইনে ঢুকতে দিচ্ছে না।

তবে পরিস্থিতি দেখে এটাই প্রতীয়মান হচ্ছে যে, সেখানে সুস্পষ্টভাবে জাতিগত নিধন অভিযান চলছে।

গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে সীমান্তরক্ষী পুলিশের (বিজিপি) ওপর হামলা চালায় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা।

এ হামলার ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তি নিহত হয়। এর মধ্যে ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর ও বাকিরা আরসার সদস্য।

এরপর মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী রাখাইনে বিতাড়ন  অভিযান শুরু করে। তারা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ ও তাদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, সেনা অভিযানে রাখাইনে এ পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আর প্রাণ বাঁচানোর জন্য গত দুই সপ্তাহে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

ইউএনএইচআরসি প্রধান জায়েদ বলেন, মিয়ানমারের এ অভিযান… পরিষ্কারভাবে বাড়াবাড়ি এবং আন্তর্জাতিক আইনের মূল নীতি অনুসরণ না করেই এটি চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা প্রাপ্ত একাধিক প্রতিবেদন এবং স্যাটেলাইট ছবি থেকে জানতে পেরেছি, নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় জঙ্গিরা রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলোতে আগুন দিচ্ছে। তারা পলায়নরত মানুষকে গুলিসহ ব্যাপকহারে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ইউএনএইচআরসি বলেন, চলমান সেনা অভিযান বন্ধ, অপরাধে জড়িত সবাইকে বিচার করতে এবং রোহিঙ্গা জনগণের ওপর বৈষম্যের অবসান করতে আমি মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।

হত্যা-নির্যাতন থেকে প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে সীমান্তে মাইন পুঁতে রাখার ঘটনার কথা জেনে হতভম্ব হয়ে পড়েছেন বলেও জানান তিনি।

যেসব রোহিঙ্গা শরণার্থী সহিংসতার ভয়ে পালাচ্ছে তাদের রাখাইনে ফিরতে হলে জাতীয়তার প্রমাণপত্র দেখাতে বলে মিয়ানমার সরকার যে অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়েছে তারও সমালোচনা করেন জায়েদ।

১৯৬২ সাল থেকে নাগরিকত্বসহ রোহিঙ্গাদের অধিকার ব্যাপকহারে হরণ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রমাণপত্রবিষয়ক ঘোষণা জোর করে তাড়িয়ে দেয়া বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নস্যাৎ করা ছাড়া আর কিছু নয়।

Top