নির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় দুই দল

EC.jpg

ওয়ান নিউজঃ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই রাজনৈতিক দল সেনা মোতায়েন চেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা।

সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনা মোতায়েনের দাবি জানানো দল দুটি হচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ইসলামী ফ্রন্ট। এজন্য প্রয়োজন হলে আইন সংশোধনেরও দাবি জানিয়েছে দল দুটি।

একইসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিপক্ষেও মত দেয়। পাশাপাশি সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যর্থ হলে নির্বাচন কমিশনকে আইনের আওতায় আনতে আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে তারা।

রোববার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে পৃথক সংলাপে দল দুটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সকালে ইসলামী ফ্রন্ট ও বিকালে ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে সংলাপ করে কমিশন। সংলাপে ফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১০ দফা এবং ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে ১৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেন। পরে মাদানী সাংবাদিকদের কাছে সুপারিশগুলো তুলে ধরেন।

দলটির দেয়া সুপারিশের মধ্যে আছে নির্বাচনের সময় সেনা মোতায়েন, স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইসির হাতে রাখা। তবে দলটি ২০২০ সালের মধ্যে দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রাখার বিরোধিতা করেছে। দলটি বাতিল করার পক্ষে মত দিয়েছে।

বৈঠক শেষে ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব আবদুল মতিন সাংবাদিকদের বলেন, তারা ১০ দফা সুপারিশ জানিয়েছেন। ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব না রাখতে চাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব কমিটিতে এই সংখ্যক নারী প্রতিনিধি রাখার আইন বাস্তবসম্মত নয়। এ কারণে তারা নির্বাচন কমিশনকে বলেছেন, এই আইন বাতিল করে বরং প্রত্যেক দলে নারীদের জন্য আলাদা অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়েছে।

সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা সভাপতিত্ব করেন। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও কবিতা খানম এবং ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সংলাপে উপস্থিত ছিলেন।

Top