আপডেটঃ
কক্সবাজারের  হাফেজ ইয়াসিন আরাফাত সংবর্ধিতরোহিঙ্গারা আগের মতোই নৃশংসতার ঝুঁকিতে : ইউরোপীয় পার্লামেন্টউখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন এর ঔষুধ বিতরণ:স্বার্থপর নিষ্ঠুর সমাজের উৎপাদন ধর্ষকউন্নয়নের প্রতীক নৌকাকে জয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হোন- সাফিয়া খাতুনঅনার্স ৪র্থ বর্ষের ফল প্রকাশসোমবারই চালু হচ্ছে ফোর-জিসমুদ্র সৈকতের বীচ কর্মী শহিদুল্লা রানার চাদাঁবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারন হকাররা।নেগেটিভ চরিত্রেও বাজিমাত করেছেন এই নায়করা!নতুন আইনে সৌদিতে বেকার হবেন কয়েক লাখ শ্রমিকশ্রীলঙ্কার সিরিজ জয়, না টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানো?বেগম জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বিএনপিসাতকানিয়ায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ বাঁধ ধসে যাওয়ার আশঙ্কাশার্শায় ধর্মসভায় উস্কানিমুলক বক্তব্য দেয়ায় মাওলানা আল গালিব গ্রেফতারকারাবন্দিদের মাঝে আইনগত সহায়তা বৃদ্ধি বিষয়ক সভা

মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়ন বন্ধ হোক

1News-Editor.jpg

কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনটি স্ববিরোধিতায় ভরা। একদিকে তারা দাবি করছে, রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা বা জাতিগত নিপীড়ন হয়নি। অন্য দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর ৪৮৫ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, যদি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাই না ঘটবে, কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো? রোহিঙ্গাদের ওপর চার পুলিশ কর্মকর্তার শারীরিক নির্যাতনের ভিডিও চিত্র প্রকাশিত হওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে। এ রকম অসংখ্য নির্যাতনের ছবি ও ভিডিও চিত্র রয়েছে, মিয়ানমার সরকার চোখ বন্ধ করে থাকলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তা হরদম প্রকাশ পাচ্ছে।

মিয়ানমারের এই জাতিগত নিপীড়ন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে দখলদার পাকিস্তানি সেনাদের কথাই মনে করিয়ে দেয়। সে সময় বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন। কিন্তু মিয়ানমারের দরিদ্র রোহিঙ্গারা দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে না। বরং তারা যেটুকু প্রতিবাদ করছে তা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য। মংডুর বাঙালি অধিবাসীদের সংখ্যা, মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনা থাকা প্রমাণ করে না সেখানে কোনো গণহত্যা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। নিরুপায় হয়েই রোহিঙ্গারা সেখানে আছে। আর সব রোহিঙ্গা যে দেশটিতে থাকতে পারেনি তার প্রমাণ ৭০ হাজারের চেয়েও বেশি শরণার্থীর বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ।

মিয়ানমারের সরকারি কমিশন যখন এই আজগুবি তথ্য দিচ্ছে, তখন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বাধীন কমিশন বলছে, সেখানে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিপীড়ন চলছে। কমিশনের সদস্যরা বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিপীড়ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও আরও সোচ্চার হতে হবে। এখন পর্যন্ত তারা মৌখিক বিবৃতি দেওয়া ছাড়া কিছুই করেনি। বিস্ময়কর হলো, দেশটিতে এই হত্যা ও নৃশংসতার ঘটনা ঘটছে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সু চির শাসনামলে; যদিও সংবিধান অনুযায়ী তিনি সরকারপ্রধান নন। এটি যেমন নোবেল বিজয়ীর জন্য লজ্জার, তেমনি রাষ্ট্র হিসেবে মিয়ানমারেরও।

অবিলম্বে বন্ধ হোক রোহিঙ্গা নিপীড়ন।

Top