আপডেটঃ
কক্সবাজার আন্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বদলীল আদেশ অমান্য করে বহাল আছে সত্যব্রত শর্মাচকরিয়ায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে দর্শনার্থী বাড়তি বিনোদনে যোগ হয়েছে আকর্ষনীয় তিন জোড়া আফ্রিকান জেব্রাজনগণ কিন্তু খুব হিসেবি, ঠিকই মাথায় রাখবে: প্রধানমন্ত্রীকান্না প্রসঙ্গে সমালোচকদের ধুয়ে দিলেন নেইমার!৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে বেলজিয়ামচট্টগ্রামে গ্রাহকের শত কোটি টাকা নিয়ে উধাও “ডিজিটাল কিং মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি”চকরিয়ায় মহাসড়ক থেকে যুবকের লাশ উদ্ধারচকরিয়ায় গাড়ীর চাপায় মহেশখালীর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাশুড়ি নিহত২৫ ঘন্টা পর ২ শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারকক্সবাজার পৌরসভার নৌকার মাঝি মুজিব চেয়ারম্যানগুরুতর অসুস্থ পর্নো অভিনেত্রী সানি লিওনব্রাজিল জিতল ২-০ গোলে‘নির্বাচনে জয়ী হতে গিয়ে যেন দলের বদনাম না হয়’সৌদি নারীরা রোববার থেকে গাড়ি চালাবেনবাস ডোবায় পড়ে নিহত ৩, আহত ৫জনকে চমেকে ভর্তি

বিশ্বজিৎ হত্যা : ২ জনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন

bishojit.jpg

ওয়ান নিউজঃ রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে বহুল আলোচিত দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। এ মামলায় নিম্ন আদালতে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল। রোববার বিকালে বিচারপতি মো: রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর যুগ্ম-বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই মামলায় নিম্ন আদালতে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জিএম রাশেদুজ্জামান শাওন এবং মীর মো. নূরে আলম লিমনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কাইয়ুম মিঞা টিপু ও সাইফুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে এএইচএম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফাকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

তবে নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাকি ১১ আসামি কোনো আপিল না করায় তাদের বিষয়ে মন্তব্য করেননি আদালত। এর ফলে এসব আসামির যাবজ্জীবন সাজা বহাল থাকছে।

যাবজ্জীবন বহাল থাকা আসামিরা হলেন- ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। এদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ কর্মীরা নির্মমভাবে খুন করেন দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাসকে।

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই ২১ আসামির মধ্যে ৮ জন কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক।

গত ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক।

রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ড সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা।

এরপর ১৬ মে হাইকোর্টে বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। গত ১৭ জুলাই উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত।

Top