সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ হওয়ার দুই সপ্তাহ পর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ:
আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। ক্লাস শুরু করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ হওয়ার দুই সপ্তাহ পর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসএসসি ও সমমানের জন্য ৬০ দিন এবং এইচএসসি জন্য ৮৪ দিনে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ হবে। এরপর দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এর আগে শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত প্রায় সাড়ে আটটা পর্যন্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসির ৬০ দিন ও এইচএসসির ৮৪ দিন ক্লাস ধরে পরিমার্জিত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে শিক্ষাবোর্ড। এ সিলেবাস শেষ করেই দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।’

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জুন মাসে পরীক্ষা হবে এটা আগে বলেছিলাম। এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। যখনই স্কুল কলেজ খোলা হবে তখন থেকে এসএসসির ক্ষেত্রে ৬০ কর্মদিবস এবং এইচএসসির ক্ষেত্রে ৮৪ কর্মদিবস সরাসরি ক্লাস নেওয়ার পর আরও সপ্তাহ দুয়েক সময় দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে এসএসসি পরীক্ষা জুলাইয়ে চলে যেতে পারে।

দীপু মনি বলেন, ‘রমজানেও ক্লাস থাকবে। শুধু ঈদের সময় বন্ধ থাকবে। আমরা ছোটবেলায় দেখেছি রোজায় ছুটি থাকতো না। আমাদের শিশু-কিশোররাও বাসায় বসে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছে। মনে করছি তারা আপত্তি করবে না। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা রোজার মধ্যে ক্লাস করবে।

সভায় কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন, স্বাস্থ্যশিক্ষা পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, করোনা বিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.